রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
মোট আক্রান্ত

৩৪৭,৩৭২

সুস্থ

২৫৪,৩৮৬

মৃত্যু

৪,৯১৩

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৯৩,২২৭
  • চট্টগ্রাম ১৮,১১৭
  • বগুড়া ৭,২৮৮
  • কুমিল্লা ৭,২৩৯
  • ফরিদপুর ৬,৯৩৫
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,৬৩২
  • সিলেট ৬,৫৩৬
  • খুলনা ৬,১৮৩
  • গাজীপুর ৫,৩০৬
  • নোয়াখালী ৪,৮৬৫
  • কক্সবাজার ৪,৪৫৪
  • যশোর ৩,৭১১
  • ময়মনসিংহ ৩,৫৮৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৩৯৭
  • বরিশাল ৩,৩৭৩
  • দিনাজপুর ৩,২৪০
  • কুষ্টিয়া ৩,১২২
  • টাঙ্গাইল ২,৯৫৫
  • রাজবাড়ী ২,৯৪৫
  • কিশোরগঞ্জ ২,৬৮২
  • রংপুর ২,৬৮০
  • গোপালগঞ্জ ২,৫১৭
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪১১
  • সুনামগঞ্জ ২,২৭৮
  • নরসিংদী ২,২৪৩
  • চাঁদপুর ২,২২৩
  • লক্ষ্মীপুর ২,০৮৫
  • সিরাজগঞ্জ ২,০৮৩
  • ঝিনাইদহ ১,৮৩৮
  • ফেনী ১,৭৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৬৯৭
  • মৌলভীবাজার ১,৬৫৫
  • শরীয়তপুর ১,৬৪৬
  • জামালপুর ১,৪৫৯
  • মাদারীপুর ১,৪২৮
  • মানিকগঞ্জ ১,৩৮৬
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৩৭৭
  • পটুয়াখালী ১,৩৭৩
  • নড়াইল ১,২৮৪
  • নওগাঁ ১,২৫১
  • গাইবান্ধা ১,১০৮
  • সাতক্ষীরা ১,০৮৯
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • পাবনা ১,০৬৬
  • পিরোজপুর ১,০৪৭
  • জয়পুরহাট ১,০৪২
  • ঠাকুরগাঁও ১,০৩২
  • নীলফামারী ৯৯৩
  • বাগেরহাট ৯৬৯
  • নাটোর ৯৪৮
  • বরগুনা ৮৯২
  • মাগুরা ৮৭৯
  • রাঙ্গামাটি ৮৭৯
  • কুড়িগ্রাম ৮৬৪
  • লালমনিরহাট ৮১৫
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৪৭
  • বান্দরবান ৭৪৬
  • নেত্রকোণা ৭০৮
  • ভোলা ৭০৬
  • ঝালকাঠি ৬৮৩
  • খাগড়াছড়ি ৬৬৩
  • মেহেরপুর ৫৮৯
  • পঞ্চগড় ৫৫৬
  • শেরপুর ৪৬১
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

ভালোবাসা দিবস সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

অনলাইন ডেস্ক :-
  • প্রকাশিত সময় :- বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

১৪ ফেব্রুয়ারি! বর্তমান বিশ্বে এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) নামে উদ্যাপন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ দিবস অত্যন্ত আড়ম্বর, জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এর সূচনা মধ্যযুগে হলেও নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রসার ঘটে। আশির দশকেও বাংলাদেশের মানুষ এ দিবসটির সঙ্গে ছিল অনেকটা অপরিচিত। তবে নব্বইয়ের দশক থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সহযোগিতায় ও মিডিয়ার কল্যাণে এ দেশের যুবসমাজের মাঝে তা ছড়িয়ে পড়ে। ভালোবাসা দিবসের উৎস নিয়ে নানা মত প্রচলিত আছে। এ সম্পর্কে যদ্দুর জানা যায়, লুপারকালিয়া নামে প্রাচীন রোমে এক উৎসব ছিল, যা ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অবধি হতো। যে উৎসবে নারী-পুরুষ সমানতালে মদ পান করত এবং লটারির মাধ্যমে সঙ্গী বেছে নিয়ে তার সঙ্গে একান্তে মিলিত হতো। অতঃপর রোমানরা যখন তাদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্মে ধাবিত হচ্ছিল, তখন তারা প্রাচীন দেবীর নামে লুপারকালিয়া উৎসবকে মেনে নিতে পারছিল না। আবার উৎসবটি খুব জনপ্রিয় ছিল বলে ছেড়েও দিতে পারছিল না। অবশেষে উৎসবটিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামে উৎসর্গ করে উদযাপন করত। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ নোয়েল লেন্সকি বলেছেন, লুপারকালিয়া উৎসবে পুরুষরা দেবী লুপারকাসের নামে একটি ছাগল আর একটি কুকুর বলি দিত। তারপর মৃত ছাগল বা কুকুরের চামড়া দিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের বেদম প্রহার করত। তাদের বিশ্বাস, এ প্রহারের কারণে মেয়েদের প্রজননক্ষমতা বাড়ে।

ভালোবাসা দিবসের সূচনা ইতিহাস সম্পর্কে আরও যা জানা যায়, ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস বিবাহিত পুরুষদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বন্ধ করে দেন এবং আইন জারি করেন, তার সাম্রাজ্যে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। কারণ বিবাহিত সেনারা স্ত্রী-সন্তানদের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে চাইত না। কিন্তু রোমান এক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সম্রাটের ন্যায়ভ্রষ্ট নিয়মের প্রতিবাদ করেন এবং বিয়ে করেন। এ খবর সম্রাট ক্লডিয়াসের কাছে পৌঁছলে তিনি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর সে মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ দিবসকে ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। আবার কারও কারও মতে, ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন খ্রিস্টান পাদরি ও চিকিৎসক। সে সময় রোমানরা ছিল দেব-দেবীর অনুসারী। ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বন্দী অবস্থাতেই ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের চোখের চিকিৎসা করেন। ফলে মেয়েটি তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে লিখে যান, Love From your valentine. আর এ ঐতিহাসিক দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও ভক্তি-শ্রদ্ধা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। এসব মানবিক গুণ আছে বলেই এখনো টিকে আছে এ নশ্বর পৃথিবী। আল্লাহতায়ালা নিজেই ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর কুদরতের মধ্যে অন্যতম একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে তোমাদের স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও অনুগ্রহ সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।’ (সূরা আর রুম : ২১)।

ভালোবাসা হলো খোদায়ি অনুভূতি, আত্মার তৃপ্তি ও মনের প্রশান্তি। আল্লাহতায়ালা আমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা শিক্ষা দিয়েছেন, যা কোনো বিশেষ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও উত্তম চরিত্রমাধুর্য দ্বারা আমাদের প্রিয় নবী (সা.) জয় করে নিয়েছেন শত কোটি মানুষের হৃদয়; বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছেন ইসলামের বিকিরণ। প্রতিটি ভালোবাসা হতে হবে আবেগ, বিবেক ও স্রষ্টার সম্মতির সমন্বয়। কিন্তু যে ভালোবাসার পরিচালক হয় শুধু আবেগ বা কুপ্রবৃত্তি, সে ভালোবাসা মানুষের ইহকাল-পরকাল উভয়কে ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস করে মানুষের মনুষ্যত্ব, জাগরিত করে পশুত্বের হিংস্র বৈশিষ্ট্য। দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বে ভালোবাসা দিবসের নামে উৎপত্তি হচ্ছে নানান অপসংস্কৃতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন; যা ইসলামের নীতি ও আদর্শবহির্ভূত। যে কোনো দিবস উদ্যাপনে সুস্থ ও সুন্দরভাবে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে সচেষ্ট হওয়া ইসলামের শাশ্বত নীতি। আজ পবিত্র ও সত্যিকার ভালোবাসার অভাবে সর্বত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে হিংসা-বিদ্বেষ, ছড়িয়ে পড়ছে গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো অসংখ্য অপরাধ। তাই মহান স্রষ্টার সমীপে এই মিনতি যে, সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল হোক সব ধরনের অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও অপসংস্কৃতি। জয় হোক পবিত্র, অকৃত্রিম ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

এখানে দেশ-বিদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানের টিকিটসহ আকাশ পাওয়া যাচ্ছে:- উর্মি টেলিকম,আনন্দ মার্কেট হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। ফোন: ০১৭১৩৬৩৬৬৬১

Akash

ভালো লাগলে লাইক দিন, শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো সংবাদ




উৎসর্গ করলাম আমার পরম শ্রদ্ধেয় বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যে সমৃদ্ধ হয়ে আমি আজ নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি।

‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।’

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৪৭,৩৭২
সুস্থ
২৫৪,৩৮৬
মৃত্যু
৪,৯১৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩০,৪০১,১৬৫
সুস্থ
২০,৬৭৯,৭৪৩
মৃত্যু
৯৫০,৪৫৯

এখানে দেশ-বিদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানের টিকিটসহ আকাশ পাওয়া যাচ্ছে:- উর্মি টেলিকম,আনন্দ মার্কেট হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। ফোন: ০১৭১৩৬৩৬৬৬১







ইমেলের মাধ্যমে ব্লগে সাবস্ক্রাইব করুন-

সর্বশেষ সংবাদের সাথে আপডেটেড থাকতে সাবস্ক্রাইব করুন।

জরুরি প্রয়োজনে হটলাইন

https://i1.wp.com/moi.gov.bd/sites/default/files/files/admin.portal.gov.bd/npfblock//National-Helpline.jpg?ssl=1

© All rights reserved © 2015 newsbijoy।এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
themesbanewsbijo41