ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

রাজনীতি করা তো শিক্ষার্থীদের অধিকার: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফাইল ছবি

newsbijoy.com

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, রাজনীতি মানুষের অধিকার। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখা থাকে ‘ধূমপান মুক্ত’ প্রতিষ্ঠান, কোথাও লেখা থাকে ‘রাজনীতি মুক্ত’ প্রতিষ্ঠান। দুটি বিষয় এক না জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনীতি বিষয়টি ইতিবাচক। প্রতিষ্ঠান রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করতে পারে না, এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার।

আজ বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে (ব্যানবেইস) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, কেউ দলীয় রাজনীতি করবেন কি না এগুলো তাদের নিজস্ব বিষয়। দলীয় রাজনীতি কিভাবে হবে রাজনীতি যারা করবে তাদের সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কেউ রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপে যেন যুক্ত না হয় এ বিষয়ে শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠান আলোচনা করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যত। আজকের নেতৃত্বের মধ্য দিয়েই তারা আগামীদের দেশের নেতৃত্ব গড়ে তুলবেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখা যায়, জাতি হিসেবে আমাদের যত অর্জন, তার প্রতিটিতে ছাত্র রাজনীতি একটি বিশেষ অবদান রেখেছে। আবার সামরিক সৈরাচার যখন ক্ষমতায় এসেছে, যারা ক্ষমতা দখল করেছে তারা এই ছাত্র রাজনীতির অপব্যবহার করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তারা অস্ত্রের ঝনঝনানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল রেখে তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।

ইতিবাচক রাজনীতি চাই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা চাই যেন কউ রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে অনৈতিক কার্যালাপে যুক্ত না হয়। দলীয় রাজনীতির নামে যেন বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা না হয়। এটি হোক ইতিবাচক, যেখানে নৈতিকতা থাকবে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকবে। এই দিকগুলো গণতান্ত্রিক চর্চা না থাকলে দেশ গণতান্ত্রিক হবে তা হয় না। শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্ক থাকতে হবে। ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে কোনো আপত্তি থাকার কথা না।

কোন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি করা যাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এক সময় স্কুলেও রাজনীতি ছিল, ৫০ এর দশকে দেখেছি স্কুলেও কমিটি ছিল। এগুলো নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা ও চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক চাহিদা থাকতে পারে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনীতি করাই হয় জাতীয় স্বার্থে। যেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জাতীর ভবিষ্যত, শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে ব্যঘাত বা অনিশ্চিত করতে চায় তাকে রাজনীতি বলা যাবে না। আশা করি যে দলগুলো জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতি করেন, তারা দায়িত্বপূর্ণভাবে কাজ করবেন। আমরা জাতীর ভবিষ্যত উন্নত করতে রাজনীতি করি। তাদের ভবিষ্যত নষ্ট হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে অনুরোধ জানান তিনি।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন আজ

আজ বুধবার, দেশের কোথায় কখন লোডশেডিং

রাজনীতি করা তো শিক্ষার্থীদের অধিকার: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত সময়: ০৯:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, রাজনীতি মানুষের অধিকার। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখা থাকে ‘ধূমপান মুক্ত’ প্রতিষ্ঠান, কোথাও লেখা থাকে ‘রাজনীতি মুক্ত’ প্রতিষ্ঠান। দুটি বিষয় এক না জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনীতি বিষয়টি ইতিবাচক। প্রতিষ্ঠান রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করতে পারে না, এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার।

আজ বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে (ব্যানবেইস) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, কেউ দলীয় রাজনীতি করবেন কি না এগুলো তাদের নিজস্ব বিষয়। দলীয় রাজনীতি কিভাবে হবে রাজনীতি যারা করবে তাদের সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কেউ রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপে যেন যুক্ত না হয় এ বিষয়ে শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠান আলোচনা করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যত। আজকের নেতৃত্বের মধ্য দিয়েই তারা আগামীদের দেশের নেতৃত্ব গড়ে তুলবেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখা যায়, জাতি হিসেবে আমাদের যত অর্জন, তার প্রতিটিতে ছাত্র রাজনীতি একটি বিশেষ অবদান রেখেছে। আবার সামরিক সৈরাচার যখন ক্ষমতায় এসেছে, যারা ক্ষমতা দখল করেছে তারা এই ছাত্র রাজনীতির অপব্যবহার করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তারা অস্ত্রের ঝনঝনানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল রেখে তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।

ইতিবাচক রাজনীতি চাই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা চাই যেন কউ রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে অনৈতিক কার্যালাপে যুক্ত না হয়। দলীয় রাজনীতির নামে যেন বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা না হয়। এটি হোক ইতিবাচক, যেখানে নৈতিকতা থাকবে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকবে। এই দিকগুলো গণতান্ত্রিক চর্চা না থাকলে দেশ গণতান্ত্রিক হবে তা হয় না। শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্ক থাকতে হবে। ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের দিক থেকে কোনো আপত্তি থাকার কথা না।

কোন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি করা যাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এক সময় স্কুলেও রাজনীতি ছিল, ৫০ এর দশকে দেখেছি স্কুলেও কমিটি ছিল। এগুলো নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা ও চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক চাহিদা থাকতে পারে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনীতি করাই হয় জাতীয় স্বার্থে। যেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জাতীর ভবিষ্যত, শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে ব্যঘাত বা অনিশ্চিত করতে চায় তাকে রাজনীতি বলা যাবে না। আশা করি যে দলগুলো জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতি করেন, তারা দায়িত্বপূর্ণভাবে কাজ করবেন। আমরা জাতীর ভবিষ্যত উন্নত করতে রাজনীতি করি। তাদের ভবিষ্যত নষ্ট হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে অনুরোধ জানান তিনি।

নিউজবিজয়/এফএইচএন