1. fhn.faruk@gmail.com : admin2020 :
  2. newsbijoy.bd@gmail.com : news bijoy : news bijoy
  3. newsbdn.bd@gmail.com : Fahim Hossaun : Fahim Hossaun
বই প্রেমিক মোশারফ হোসেনের দুর্লভ পুঁথির সংগ্রহশালা বদলগাছীর ভাতশাইল গ্রামে - NewsBijoy
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:২১ অপরাহ্ন

নিউজবিজয় এখন তিন ভাষায় পড়ুন – NewsBijoy Now Read in Three Languages


বই প্রেমিক মোশারফ হোসেনের দুর্লভ পুঁথির সংগ্রহশালা বদলগাছীর ভাতশাইল গ্রামে

সৈকত সোবাহান, প্রতিনিধি বদলগাছী নওগাঁ :-
  • প্রকাশিত সময় :- মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১
newsbijoy

উত্তরের বরেন্দ্র অঞ্চলের নিভৃতপল্লীর এক জনপদ নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ভাতশাইল গ্রাম। এই গ্রাম বাহিরের দশটা গ্রামের মতই। নেই তেমন কোনো পার্থক্য । এই গ্রামে আছে ধনী, দরিদ্র ও মধ্যেবিত্ত মানুষ। গ্রামে আছে ১ টি প্রাইমারি স্কুল, হাই স্কুল, পোস্ট অফিস। অনেক গ্রামেই এসব আছে, নেই শুধু একজন মোশারফ হোসেন চৌধুরী। সাধারণ হয়েও যিনি অসাধারণ তার গড়া ভাতশাইল প্রগতি সংঘ পাঠাগার। সেই মোশারফ আর নেই। রেখে গেছেন তার জীবনভর সংগগ্রহের দুর্লভ স্মৃতি এই লাইব্রেরিতে। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি খুব আকর্ষণ ছিলো মোশারফের। জানাযায়, বই পেলে আর কোনো কিছুর প্রয়োজন হতোনা তার। সেই সূত্র ধরেই চাকরাইলের রেজওয়ান লাইব্রেরির সদস্য হন। তখন তিনি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। এক অনাকাঙ্খিত ঘটনায় সেখানে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল তার। জুড়ে দেন কান্না-বই যে তাকে পড়তেই হবে। শেষে তার মা বললেন, ঠিক আছে তুই নিজেই একটি লাইব্র্রেরি শুরু কর, আমি তোকে বছরে ১০০ টাকা করে দেব। দাদিও রাজি হলেন ১০০ টাকা করে দিতে আর চাচা শফিউদ্দীন চৌধুরী তার বৈঠকখানা ঘর ব্যবহারের অনুমতি দিলেন তাঁকে। নিজের সংগ্রহের পাঁচটা বই ঠাকুমার ঝুলি, আলীবাবা, আনোয়ারা, সালেহা ও মুসলিম পঞ্চসতী এই নিয়ে শুরু হলো যাত্রা। সেটা ছিল ১৯৪৭ সাল। ধীরে ধীরে যুক্ত হলেন গ্রামের প্রবীণরা। মোশারফ হোসেন চৌধুরী ঝোলা কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন বই সংগ্রহে বন্ধু- বান্ধব , আত্মীয় স্বজন পরিচিত-অপরিচিত যার কাছে যেটা পাওয়া যায়। আর লোভনীয় কোনো বই পেলে তো কথায় নেই। গ্রামের পর গ্রম, মাইলের পর মাইল হাঁটতেও তখন কোনো ক্লান্তি পান তিনি। ১৯৫০ সালে এসে গঠিত হলো লাইব্রেরির কমিটি। দেখতে দেখতে সাতটা আলমারি বইয়ে ভরে গেল। শফি উদ্দীন চৌধুরীরর বৈঠকখানা আর সংকুলান হয় না। তাই নতুন জায়গা নির্ধারণ করা হলো। তার আর এক চাচা আলহাজ আব্দুল মতিন চৌধুরী তার ফাঁকা ১৫ শতাংশ জমি দান করেন ঐ লাইব্রেরিকে। আর সেখানে ৫০ হাত দৈর্ঘ্য, ১৫ হাত প্রস্থ মাটির ঘর তুলে দিলেন শফিক চৌধুরী। এ থেকে ভাতশাইল প্রগতি সংঘ পাঠাগার পেল নিজস্ব ঠিকানা। পড়াশোনার জন্য গ্রাম ছাড়তে হয় মোশারফ চৌধুরীকে। ঢাকায় এসে ভর্তি হন জগন্নাথ কলেজে। ১৯৫২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন তিনি। তাঁর চোখের সামনে সংগঠিত হয় রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলন। বদলে দেয় তার জীবনবোধ ও জীবন দর্শন। দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ নতুন করে তাঁকে ভাবিয়ে তোলেন। তার চোখ খুলে যায়। জন্ম নেয় নতুন উপলব্ধি। তাঁর ভাষায়, আমরা যতই বড় বড় কথা বলি না কেন, আমাদের ভেতর খুব বড় একটা ফাঁক রয়েছে। নিজেদের ঐতিহ্য আছে, ভাষা আছে, সংস্কৃতি আছে, ইতিহাস আছে কিন্তু আমাদের মধ্যে নেই চেতনা। ফলে সব কিছুই হয়ে পড়ে অন্তঃসারশূন্য। কাজেই সবার আগে প্রয়োজন মানুষের শিক্ষা, যা গ্রাম থেকেই শুরু করতে হবে। এর মধ্যে ব্যক্তি জীবনেও বয়ে যায় ঝড়। খুব কাছাকাছি সময়ে মারা যায় উৎসাহযাত্রী মা, দাদি ও আদরের বোন। তিনটি মৃত্যু তাকে অসহায় করে তোলে। লেখাপড়ার ইতি টেনে ফিরে আসেন গ্রামে। অবলম্বন হিসেবে আঁকড়ে ধরেন লাইব্রেরিটিকে। নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন তিনি। তখন থেকে একটাই চিন্তা, কিভাবে লাইব্রেরির সংগ্রহ বাড়ানো যায়। গ্রামের মানুষকে লাইব্রেরিমুখী করা যায়। শুধু বই হলেই চলবে না, চলতি সময়ের খোঁজ-খবর রাখতে প্রয়োজন খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন। শুরু হলো পত্রিকা রাখা। সেখানেও বিপত্তি। গ্রামে নেই কোন পোস্ট অফিস, থানা সদর বদলগাছী। সেখান থেকে সময়মতো পত্রিকা আসে না। অনেক সময় হারিয়ে যায়। কাজেই পোস্ট অফিস দরকার। আবার শুরু হলো ছোটাছুটি। শেষ পর্যন্ত পোস্ট অফিস হলো গ্রামে। গ্রামের যুবকদের নিয়ে ক্লাব করলেন তিনি। গ্রামে রাস্তা নেই বৃষ্টি হলেই চলাফেরা করা যায় না। এবার উঠেপড়ে লাগলেন রাস্তা তৈরীর জন্য। ১৯৬৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হয়ে তাও করলেন তিনি। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই বুঝে গেলেন ও পথ তার নয়, তাই আবার পুরোপুরি ফিরে এলেন লাইব্রেরিতে। গ্রামে ঢোকার মুখেই লম্বা বারান্দাওয়ালা টিনশেড লাইব্রেরি ভবন প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে দেখা যায়। ১৯৯১ সালে বন্যায় মাটির ঘর ভেঙে গেলে জেলা পরিষদ নির্মাণ করে দেয় ইটের ঘর। পাশেই পোস্ট অফিস, হাই স্কুল, প্রাইমারি স্কুল। সামনে ফাঁকা মাঠ। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে আসা প্রখ্যাত ব্রিটিশ লাইব্রেরি বিশেষজ্ঞ জে. স্টিফেন পার্কার এসেছিলেন লাইব্রেরিটি দেখতে। যাওয়ার সময় পরিদর্শন বইয়ে তিনি লেখেন, পৃথিবীর বহু দেশের অনেক লাইব্রেরি দেখেছি কিন্তু বাংলাদেশের সুদূর পল্লীতে এমন বৈশিষ্ট্যমতি লাইব্রেরি খুবই কম দেখেছি। সত্যিই বিস্মিত হতে হয় লাইব্রেরিটি দেখে। তিনি কক্ষ ভাগ করে ৭৫ ফুট লম্বা ভবনের ধারঘেঁষে চাপাচাপি করে রাখা ৪৬টি আলমারি। তার ভেতরে অতি কষ্ট করে রাখা ১৪হাজার ৩০০টি বই হাজারখানেক মূল্যবান পত্রিকা। লাইব্রেরিতে রয়েছে দেশ-বিদেশের মনিষীদের ছবি আর ঘরের মাঝে দিয়ে লম্বালম্বি সাজানো চেয়ার টেবিল। মাত্র পাঁচটি বই দিয়ে যে লাইব্রেরির যাত্রা শুরু করেছিল এখন সেখানে খোলা হয়েছে পাঁচটি বিভাগ। সাধারণ, গবেষণা, পত্রিকা, ইংরেজি ও ধর্মীয়। সাধারণ বিভাগে রয়েছে সাম্প্রতিক সময়ের প্রকাশিত গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ইতিহাস, রাষ্ট্রচিন্তা, দর্শন বিজ্ঞান সহ প্রভৃতি বিষয়ের বই। গবেষণা বিভাগে রয়েছে ৭৭টি প্রাচীন পান্ডুলিপি। এগুলো তালপাতা, কলম গাছের বাকল এবং হাতে তৈরি কাগজের লেখা। এর কোন কোনোটি ২০০ থেকে আড়াই শ বছর বা তারও পূর্বের বলে ধারণা করেন প্রাচীন পুঁথি সংগ্রাহক মোহাম্মদ আব্দুল্লা খান। মনসামঙ্গল, গাজী কালু চম্পাবতী, সহি ইউসুফ জোলেখা, ছহি শেখ ফরিদ, ছহি চাহার দরবেশ, ছহি বড় সোনাভান, গোলে বাকাওলি, জঙ্গে খয়বর সহ রয়েছে প্রভৃতি প্রাচীন পুঁথি। আছে প্রায় দেড় শ। লোক কবিদের কাহিনিমূলক বই আছে ২৫০টি। রয়েছে প্রায় ৩০০ বছর আগের হাতে লেখা কোরআন শরিফ। এ ছাড়াও উনিশ ও বিশ শতকের প্রথম দিকের বেশ কিছু মূল্যবান বই, যেগুলো তিনি সংগ্রহ করেছেন নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, জয়পুরহাটের বিভিন্ন ব্যক্তির বাড়ি ঘুরে ঘুরে। ১৯৯১ সালে বন্যায় তিন শ বইয়ে সঙ্গে বেশ কিছু পত্রিকাও নষ্ট হয়ে যায়। তারপর ও সওগাত, মাহে নওসহ রয়েছে হাজারখানেক পুরানো পত্রিকা। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরগুনা, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বুদ্ধিজীবী, গবেষক এসেছেন এখানে এবং তাদের কাজে লাইব্রেরির সাহায্য নিয়েছেন, কখনো বইও নিয়ে গেছেন। লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত তথ্যসূত্রে জানা যায়, বগুড়ার ইতি কাহিনী ও রাজশাহীর ইতিহাস এর লেখক কাজী মোহাম্মদ মিছের দুটি প্রাচীন পান্ডুলিপি এবং আরবি থেকে আরবি একটি ডিকশনারি নিয়ে গিয়েছিলেন পরে বহু যোগাযোগ করেও তা ফেরত পাননি। এ ছাড়া আর একজন লেখক বেগম রোকেয়ার মতিচুর প্রথম সংস্করণের একটি কপি নিয়ে আর ফেরত দেননি। এ ঘটনার পর তিনি আর বাইরে বই দিতেন না। ব্যক্তিজীবনে বইপ্রেমিক মোশারফ হোসেন নিজেকে নিয়ে খুব একটা ভাবতেন না। তার চিন্তা-চেতনা ছিল শুধু লাইব্রেরিকে ঘিড়ে। কিভাবে দুর্লভ পুঁথি সংগ্রহ করা যাবে এ নিয়ে সব সময় মগ্ন থাকতেন। ১৯৫৬ সালে মোশারফ তার এক বন্ধুর মাধ্যমে খবর পেলেন নাটোরের এক জমিদার বাড়িতে বেশ কিছু পুরনো পুঁথি রয়েছে। মোশারফ হোসেন ওই জমিদার বাড়িতে বার বার গিয়েছেন পুঁথি সংগ্রহের করতে কিন্তু ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন। পরবর্তীতে খবর পেলেন ওই জমিদার ভারতে চলে যাচ্ছেন। সুযোগ বুঝে মোশারফ হোসেন আবারও চলে গেলেন ওই জমিদার বাড়িতে। অবশেষে কিছু পুঁথি সংগহ করেই ফিরলেন সেখান থেকে। একই কৌশলে মোশারফ হোসেন মান্দা উপজেলার ফেট গ্রাম থেকে রামচন্দ্র নামে তার এক বন্ধুর কাছ থেকে বেশ কিছু পুঁথি উদ্ধার করলেন। মোশারফ হোসেন সর্বশেষ খবর পান পার্শ্ববর্তী মহাদেবপুর উপজেলার সহযোগী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের কাছে বেশ কিছু পুঁথি সংগ্রহে রয়েছে। মোশারফ ভাবলেন সেখানে একা গিয়ে লাভ হবে না। মোশারফ হোসেন এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাংলার শিক্ষক শাহ আলম চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের কাছে পুঁথি সংগ্রহের আবেদন জানান। তার আবেদর প্রেক্ষিতে হাবিবুর রহমান তাঁর সংরক্ষিত সবক’টি পান্ডুলিপি ভাতশাইল পাঠাগারে দান করেন। এই ছিলো তার শেষ পুঁথি সংগ্রহ। এভাবে তিনি ৭৭টি পান্ডুলিপি সংগ্রহ করেন। এগুলোর কোনো কোনোটির ভাষা উভয় বাংলা। আবার কোনোটির ভাষা সংস্কৃতলিপি । বর্তমানে পুঁথিগুলো খুব ভালো অবস্থায় নেই। ১৯৯১ সলে বন্যায় লাইব্রেরির ঘর ভেঙে পড়লে বেশ কিছু পুঁথি বা বই ভিজে যায়। বর্তমানে লাইব্রেরিতে ২০ থেকে ২২ হাজার বই সংরক্ষিত আছে। বই ও লাইব্রেরিকে আঁকড়ে ধরে জীবনের অবসান ঘটালেন এই বইপ্রেমিক মোশারফ হোসেন চৌধুরী। ৩১ জানুয়ারি ২০১৪ সালে নিজ বাসভবন ভাতশাইল গ্রামে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মোশারফ হোসেন এর মৃত্যুর পরে তার ছোট ভাই লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োজিত রয়েছেন সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন লাইবেরির জমিদানকারী তার চাচা মতিউর রহমান চৌধুরী লাইব্রেরির সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে লাইব্রেরিটি অরক্ষিত রয়েছে। ধুলোবালিতে বই পুস্তক জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। নষ্ট হতে চলেছে দুর্লভ পুঁথিগুলো। গ্রামবাসীরা জানায়, লাইব্রেরিটি খোলা হয় না। গ্রামের লোকজন যে বই পুস্তক পড়বে সে সুযোগ পায় না। তাদের দাবি মোশারফ হোসেন এর অতিকষ্টের এই জ্ঞানভান্ডার ভাতশাইল গ্রামেই সরকারিভাবে সংরক্ষণ করার। লাইব্রেরির সভাপতি আলহাজ আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি জাতীয় জাদুঘর থেকে লোক এসেছিলেন লাইব্রেরি দেখতে। হাতে লেখা পুঁথি, তালপাতায় লেখা কোরআন কিছু পুঁথি জাদুঘরে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেগুলি এখনো দেওয়া হয়নি। বর্তমানে লাইব্রেরি যে অরক্ষিত রয়েছে এর সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, লাইব্রেরিতে একটা কেয়ারটেকার নিয়োগ দিয়ে সরকার যদি লাইব্রেরিটি সংরক্ষণ করেন তাহলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে। বদলগাছী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জানান, লাইব্রেরিতে আমি একটা সোলার দিয়েছি। লাইব্রেরির বর্তমান চিত্র অনুসারে এটা সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা দরকার।

নিউজবিজয় / এফএইচএন / ১৬ নভেম্বর ২০২১ইং

এখানে দেশ-বিদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানের টিকিটসহ আকাশ পাওয়া যাচ্ছে:- উর্মি টেলিকম,আনন্দ মার্কেট হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। ফোন: ০১৭১৩৬৩৬৬৬১

দৈনিক লাল সবুজের ১১নং সেক্টর অব বাংলাদেশ - মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন নিউজবিজয়ে। আজই পাঠিয়ে দিন – newsbijoy.bd @gmail.com

ভালো লাগলে লাইক দিন, শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ

উৎসর্গ করলাম আমার পরম শ্রদ্ধেয় বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যে সমৃদ্ধ হয়ে আমি আজ নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি।

‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।’



জরুরি হটলাইন

 জরুরি হটলাইন

 

এখানে দেশ-বিদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানের টিকিটসহ আকাশ পাওয়া যাচ্ছে:- উর্মি টেলিকম,আনন্দ মার্কেট হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। ফোন: ০১৭১৩৬৩৬৬৬১

হট লাইন

 হট লাইন

ইমেলের মাধ্যমে ব্লগে সাবস্ক্রাইব করুন-

সর্বশেষ সংবাদের সাথে আপডেটেড থাকতে সাবস্ক্রাইব করুন।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।তথ্য মন্ত্রণালয় আবেদনকৃত।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbanewsbijo41
বাংলা বাংলা English English