1. fhn.faruk@gmail.com : admin2020 :
  2. bashore88@gmail.com : nazrul islam : nazrul islam
  3. newsbijoy.bd@gmail.com : news bijoy : news bijoy
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন

ফেনীতে ধান-চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি

আবদুল্লাহ রিয়েল, ফেনী: -
  • প্রকাশিত সময় :- মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ফেনীতে ধান-চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্বোরো মৌসূমে ফেনীতে ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যমাত্রার কাছেও পৌঁছাতে পারেনি জেলা খাদ্য বিভাগ। জেলায় ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ৫শ ৫০ মেট্টিক টন নির্ধারণ করলেও অর্জন হয়েছে মাত্র ৩০ দশমিক ২৫ ভাগ। করোনা পরিস্থিতি ও সরকারিভাবে ঘোষিত ধান এবং চালের মূল্য খোলা বাজারের কাছাকাছি থাকায় সংগ্রহে বড় আকারের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত ও কৌশলগতভাবে খাদ্য মজুদ শক্তিশালী করতে চলতি বছরের বোরো মৌসূমে ফেনীতে ৩ হাজার ৯শ ৯৭ মেট্টিক টন বোরো ধান ও ৪ হাজার ৫শ ৫৩ মেট্টিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খাদ্য বিভাগ। নির্ধারিত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সংগ্রহ অভিযানের অগ্রতি কম থাকায় ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। কিন্তু মঙ্গলবার সংগ্রহ অভিযানের দ্বিতীয় দফায় বেধে দেয়া সময় শেষ হলেও সব মিলিয়ে ফেনীতে সংগ্রহ হয়েছে ২ হাজার ৫৮৭ মেট্টিক টন ধান-চাল। যা লক্ষ্যমাত্রার এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি। বোরো সংগ্রহ অভিযানে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ২৬ টাকা দরে ৩ হাজার ৯৯৭ মেট্টিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংগ্রহ হয়েছে মাত্রা ১ হাজার ৩০৭ মেট্টিক টন। যা লক্ষ্যমাত্রার ৩২ দশমিক ৬ ভাগ মাত্র। অভিযানে মিলারদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে জেলায় ২ হাজার ৭০০ মেট্টিক টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে অর্জন হয়েছে ৮৩০ মেট্টিক টন। যা শতকরা ৩০ ভাগের কাছাকাছি। একই ভাবে ৩৫ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৮৫৩ মেট্টিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার স্থলে অর্জন হয়েছে ৪৫০ মেট্টিক টন। যা লক্ষ্যমাত্রার ২৪ দশমিক ২৮ ভাগ মাত্র। জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ হাজার ৯৬২ মেট্টিক টন ধান ও চাল সংগ্রহ কম হয়েছে। জেলায় মোট ৬৯ দশমিক ৭৩ ভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা জানান, সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রয় করতে নানা রকমের বিড়ম্বনা রয়েছে। গুদামে ধান নিয়ে আসার আগেই নমুনা জমা দিতে হয়। তারপর কর্মকর্তারা নমুনা দেখে ধান নেবেন কি নেবেন না সেটি নিশ্চিত করেন। চলতি মৌসূমে করোনা পরিস্থিতির কারণে সড়কে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া থাকায় অনেক কৃষক কয়েক দফায় খাদ্য বিভাগে যোগাযোগকে বিরক্তিকর মনে করেছেন। এজন্য তারা গ্রামের ফড়িয়া অথবা মিল মালিকদের কাছে সরকারি মূল্যের কম দরে ধান দিয়েছেন। কৃষকরা জানান, ফড়িয়াদের কাছে ধান বিক্রির ক্ষেত্রে তেমন বিড়ম্বনা থাকে না। তারা কৃষকের বাড়ি অথবা নিকটবর্তী স্থান থেকেই নগদ টাকায় ধান কিনে নেন।
ফেনী সদর উপজেলার আবুল হাসেম নামের এক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বালিগাঁওয়ের হকদি গ্রাম থেকে ২শ টাকা ভাড়া দিয়ে ধানের নমুনা নিয়ে আসি। পরের দিন ট্রাক ভরে ধান বিক্রি করি। ২দিন পর একাউন্টে ধানের মূল্য পরিশোধ করা হয়। ধান বিক্রির ৩ থেকে ৪ দিন পর টাকা পাই। ধানের ট্রাক ভাড়া থেকে শুরু করে সকল খরচই প্রথমে কৃষক তার পকেট থেকে করতে হয়। যা অনেক কৃষকের পক্ষে সম্ভব হয় না। এসব কারণে কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান দিতে চায় না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফেনীর এক মিল মালিক জানান, তারা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান কিনে তা শুকিয়ে চাল বের করেন কিছু লাভের আশায়। বাজারে যখন ৪০ টাকায় সিদ্ধচাল বিক্রি হয় তখন মিল মালিকরা সরকারকে ৩৬ টাকায় চাল দিতে বাধ্য হচ্ছে। এতে করে তারা লাভের পরিবর্তে লোকসানের শংকায় থাকেন। তাই মিল মালিকরা নানা অযুহাত তুলে বরাদ্ধ অনুযায়ী সরকারকে চাল না দিয়ে খোলা বাজারে বিক্রি করতেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। আবার অনেক মিলার চালের দাম বৃদ্ধির আশায় আড়তে চাল মজুদ করে থাকেন। ফেনী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া জানান, সংগ্রহ অভিযানের সময় করোনা পরিস্থিতির কারনে প্রান্তিক কৃষক ঘরে থেকেই ফড়িয়া ও মিলারদের কাছে ধান বিক্রি করে দেয়।
এদিকে সরকারি মূল্য থেকে ধান ও চালের বাজার মূল্য বেশি থাকায় কৃষক ও মিলাররা গুদামে ধান ও চাল দিতে কিছুটা অনীহা প্রকাশ করে।

এখানে দেশ-বিদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানের টিকিটসহ আকাশ পাওয়া যাচ্ছে:- উর্মি টেলিকম,আনন্দ মার্কেট হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। ফোন: ০১৭১৩৬৩৬৬৬১

Akash

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন নিউজবিজয়ে। আজই পাঠিয়ে দিন – newsbijoy.bd @gmail.com

ভালো লাগলে লাইক দিন, শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ

উৎসর্গ করলাম আমার পরম শ্রদ্ধেয় বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যে সমৃদ্ধ হয়ে আমি আজ নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি।

‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।’

এখানে দেশ-বিদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানের টিকিটসহ আকাশ পাওয়া যাচ্ছে:- উর্মি টেলিকম,আনন্দ মার্কেট হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। ফোন: ০১৭১৩৬৩৬৬৬১







ইমেলের মাধ্যমে ব্লগে সাবস্ক্রাইব করুন-

সর্বশেষ সংবাদের সাথে আপডেটেড থাকতে সাবস্ক্রাইব করুন।

জরুরি প্রয়োজনে হটলাইন

https://i1.wp.com/moi.gov.bd/sites/default/files/files/admin.portal.gov.bd/npfblock//National-Helpline.jpg?ssl=1




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbanewsbijo41