ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

লালমনিরহাটের

পাটগ্রামে দুই কোটি টাকার কাজে ব্যাপক অনিয়ম, নেই কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা

newsbijoy.com

লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন মেরামত, দেয়াল নির্মাসহ আনুষঙ্গিক মেরামত কাজে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলে অধিকাংশ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের ম্যানেজ করে ঠিকাদার করেছেন নিম্নমানের কাজ। খুব সহজেই হাত দিয়ে বাঁকা করা যায় জানালার গ্রিল, এ্যাংগেল ও পাতি।

সরেজমিনে ঘটনা স্থলে ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে গণমাধ্যমের ক্যামেরায় এসব চিত্র ধরা পড়ার পরমুহূর্তে কাকতালীয়ভাবে দেখা মেলে ঠিকাদার মনির ও জেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা আহসান হাবীব ও অনুপ মিত্রের। এবিষয়ে ঠিকাদার মনির কথা বলতে রাজি না হলেও জেলা কর্মকর্তারা এই কাজ পরিদর্শন করে সঠিক রিপোর্ট পেশ করবেন বলে জানান। এসব কাজ ইস্টিমেট অনুযায়ী আদৌ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে প্রায় সময় জেলা, উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পাশ কাটিয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদনের পথ দেখিয়ে দেন। যে তথ্য পাওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই কাজের বেশিরভাগ অংশ। এ সম্পর্কিত জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েব পোর্টালেও দেওয়া নেই কোন তথ্য।

শুধু তাই নয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিতে চলমান বর্জ্য নিরোধক যন্ত্রেও পুরোনো রড ব্যবহারের পক্ষে সায় দিয়ে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামও এসম্পর্কিত সকল তথ্যের জন্য তথ্য অধিকার আইনের কথা বলেন। তিনি স্বইচ্ছায় ইস্টিমেডের বাইরে আরও সুন্দর করার লক্ষ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গঠনপ্রণালি ছাড়াও অতিরিক্ত কাজ ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে নিজে করছেন বলে জানান। আর এই কাজ দেখভাল করছেন তারই অফিস কর্মচারী মোস্তাফিজুর রহমান সাজু। এর আগে ২ কোটি টাকার কাজ শুরুর প্রথম দিকেই ধরা পড়েছিল অনিয়মের চিত্র। যেখানে পাওয়া যায় দেয়াল নির্মাণের সময়ও ব্যবহার হচ্ছে পুরনো রড ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখার চিত্র। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে দেয়াল নির্মার্ণের কাজ। আবারও পাওয়া যায় ত্রুটি। এবং নতুন করে এই কাজে দ্বিতীয় ধাপে পাওয়া গেলো ব্যপক অনিয়মের চিত্র।

গণমাধ্যমের খবরে কিছুটা নড়েচড়ে বসলেও, একটু আড়াল হলেই সরকারি অধিকাংশ কাজে দায়িত্বহীনতার পরিচয় হরহামেশাই দেখা যায়। নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইচ্চেমত অনিয়ম আর দুর্ণীতির ছাপ রেখে যায় সংশ্লিষ্ট কাজের কর্মকর্তারা। সময়মত এসব কাজে তদারকি আর উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থার অভাবে অনিয়ম, দুর্ণীতি করেও পার পেয়ে যায় এসব কাজের সাথে জড়িত কিছু অসাধু কর্মকর্তা।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

লালমনিরহাটের

পাটগ্রামে দুই কোটি টাকার কাজে ব্যাপক অনিয়ম, নেই কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা

প্রকাশিত সময়: ০৮:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন মেরামত, দেয়াল নির্মাসহ আনুষঙ্গিক মেরামত কাজে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলে অধিকাংশ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের ম্যানেজ করে ঠিকাদার করেছেন নিম্নমানের কাজ। খুব সহজেই হাত দিয়ে বাঁকা করা যায় জানালার গ্রিল, এ্যাংগেল ও পাতি।

সরেজমিনে ঘটনা স্থলে ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে গণমাধ্যমের ক্যামেরায় এসব চিত্র ধরা পড়ার পরমুহূর্তে কাকতালীয়ভাবে দেখা মেলে ঠিকাদার মনির ও জেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা আহসান হাবীব ও অনুপ মিত্রের। এবিষয়ে ঠিকাদার মনির কথা বলতে রাজি না হলেও জেলা কর্মকর্তারা এই কাজ পরিদর্শন করে সঠিক রিপোর্ট পেশ করবেন বলে জানান। এসব কাজ ইস্টিমেট অনুযায়ী আদৌ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে প্রায় সময় জেলা, উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পাশ কাটিয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদনের পথ দেখিয়ে দেন। যে তথ্য পাওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই কাজের বেশিরভাগ অংশ। এ সম্পর্কিত জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েব পোর্টালেও দেওয়া নেই কোন তথ্য।

শুধু তাই নয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিতে চলমান বর্জ্য নিরোধক যন্ত্রেও পুরোনো রড ব্যবহারের পক্ষে সায় দিয়ে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামও এসম্পর্কিত সকল তথ্যের জন্য তথ্য অধিকার আইনের কথা বলেন। তিনি স্বইচ্ছায় ইস্টিমেডের বাইরে আরও সুন্দর করার লক্ষ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গঠনপ্রণালি ছাড়াও অতিরিক্ত কাজ ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে নিজে করছেন বলে জানান। আর এই কাজ দেখভাল করছেন তারই অফিস কর্মচারী মোস্তাফিজুর রহমান সাজু। এর আগে ২ কোটি টাকার কাজ শুরুর প্রথম দিকেই ধরা পড়েছিল অনিয়মের চিত্র। যেখানে পাওয়া যায় দেয়াল নির্মাণের সময়ও ব্যবহার হচ্ছে পুরনো রড ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখার চিত্র। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে দেয়াল নির্মার্ণের কাজ। আবারও পাওয়া যায় ত্রুটি। এবং নতুন করে এই কাজে দ্বিতীয় ধাপে পাওয়া গেলো ব্যপক অনিয়মের চিত্র।

গণমাধ্যমের খবরে কিছুটা নড়েচড়ে বসলেও, একটু আড়াল হলেই সরকারি অধিকাংশ কাজে দায়িত্বহীনতার পরিচয় হরহামেশাই দেখা যায়। নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইচ্চেমত অনিয়ম আর দুর্ণীতির ছাপ রেখে যায় সংশ্লিষ্ট কাজের কর্মকর্তারা। সময়মত এসব কাজে তদারকি আর উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থার অভাবে অনিয়ম, দুর্ণীতি করেও পার পেয়ে যায় এসব কাজের সাথে জড়িত কিছু অসাধু কর্মকর্তা।

নিউজবিজয়/এফএইচএন