ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

Up to BDT 150 Cashback on New Connection

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙ্গন,বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ!

newsbijoy.com

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ভাঙ্গছে তিস্তা বিলিন হচ্ছে শতাধিক বাড়ি ঘর।ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে প্রায় ১শ টি পরিবারের লোকজন। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে যেন রাক্ষসী রুপ নিয়েছে তিস্তা। নিমিশেই গিলে খাচ্ছে ক্ষুধার্ত বাঘের মতো একরের পর একর ফসলি জমি। চোখের সামনেই ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর,সরানোর নেই সময়, তছনছ হচ্ছে সাজানো গোছানো সংসার।
ভাঙ্গনের আওয়াজে থেমে থেমে কেঁপে উঠছে তিস্তার পাড়। বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। চোখের জলে ভাসছে তাদের বুক। নজর নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের। মিলেনি কোন সহায়তা।
সময় মতো কাজ না করায় ভাঙ্গনের তীব্রতার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকেই দায়ি করছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পশ্চিম বজরা ও কাল পানি বজরাসহ তিস্তার থাবায় বাড়িঘর জমি হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে তিস্তা পাড়ের মানুষ।
ভাঙ্গনের তীব্রতায় গত একদিনে মসজিদ,সরকারি বে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবর স্হানসহ শতাধিক বাড়িঘর ও শতশত একর জমি ইতিমধ্যে চলে গেছে তিস্তার পেটে। ভাঙ্গনের তীব্রতায় সাজানো গোছানো সংসার চোখের সামনেই ভেসে যেতে দেখে অসহায় দৃষ্টিতে নদীর পানে চেয়ে থাকছে পরিবার গুলো। ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো রোদ, বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়লেও যেন ঘুমিয়ে আছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তরা।
ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন উদ্যোগ নেই বলে জানান এলাকাবাসী।ভাঙ্গনের শিকার অসহায় পরিবার গুলোর ভাগ্যে মেলেনি সরকারী বা বে-সরকারী কোন সহায়তা। সদ্য ভাঙ্গনের শিকার অনেকে বলেন, নদী ভাঙ্গনে আমরা সব হারিয়েছি।এখন থাকার বা যাওয়ার জায়গা নেই, বড় বিপদে আছি তবুও কেউ খবর নেয়নি।
অনেকেই নদী ভাঙ্গন দেখতে আসে,নদীর পাড়ের মানুষের কান্না কেউ দেখে না-শোনেও না।
আমরা ভাঙ্গন রোধ চাই, চাই থাকার জায়গা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরতদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাব ও সময় মতো ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ভাঙ্গনের তীব্রতার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদেরকে দায়ি করছেন এলাকাবাসী।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নদী ভাঙ্গন রোধে জোর দাবী জানান এলাকার মানুষ।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন আজ

আজ বুধবার, দেশের কোথায় কখন লোডশেডিং

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙ্গন,বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ!

প্রকাশিত সময়: ০৬:৩২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ভাঙ্গছে তিস্তা বিলিন হচ্ছে শতাধিক বাড়ি ঘর।ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে প্রায় ১শ টি পরিবারের লোকজন। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে যেন রাক্ষসী রুপ নিয়েছে তিস্তা। নিমিশেই গিলে খাচ্ছে ক্ষুধার্ত বাঘের মতো একরের পর একর ফসলি জমি। চোখের সামনেই ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর,সরানোর নেই সময়, তছনছ হচ্ছে সাজানো গোছানো সংসার।
ভাঙ্গনের আওয়াজে থেমে থেমে কেঁপে উঠছে তিস্তার পাড়। বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। চোখের জলে ভাসছে তাদের বুক। নজর নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের। মিলেনি কোন সহায়তা।
সময় মতো কাজ না করায় ভাঙ্গনের তীব্রতার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকেই দায়ি করছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পশ্চিম বজরা ও কাল পানি বজরাসহ তিস্তার থাবায় বাড়িঘর জমি হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে তিস্তা পাড়ের মানুষ।
ভাঙ্গনের তীব্রতায় গত একদিনে মসজিদ,সরকারি বে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবর স্হানসহ শতাধিক বাড়িঘর ও শতশত একর জমি ইতিমধ্যে চলে গেছে তিস্তার পেটে। ভাঙ্গনের তীব্রতায় সাজানো গোছানো সংসার চোখের সামনেই ভেসে যেতে দেখে অসহায় দৃষ্টিতে নদীর পানে চেয়ে থাকছে পরিবার গুলো। ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো রোদ, বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়লেও যেন ঘুমিয়ে আছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তরা।
ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন উদ্যোগ নেই বলে জানান এলাকাবাসী।ভাঙ্গনের শিকার অসহায় পরিবার গুলোর ভাগ্যে মেলেনি সরকারী বা বে-সরকারী কোন সহায়তা। সদ্য ভাঙ্গনের শিকার অনেকে বলেন, নদী ভাঙ্গনে আমরা সব হারিয়েছি।এখন থাকার বা যাওয়ার জায়গা নেই, বড় বিপদে আছি তবুও কেউ খবর নেয়নি।
অনেকেই নদী ভাঙ্গন দেখতে আসে,নদীর পাড়ের মানুষের কান্না কেউ দেখে না-শোনেও না।
আমরা ভাঙ্গন রোধ চাই, চাই থাকার জায়গা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরতদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাব ও সময় মতো ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ভাঙ্গনের তীব্রতার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদেরকে দায়ি করছেন এলাকাবাসী।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নদী ভাঙ্গন রোধে জোর দাবী জানান এলাকার মানুষ।

নিউজবিজয়/এফএইচএন