ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :-
NewsBijoy নিউজ বিজয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে  অভিনন্দন NewsBijoy  দেশের জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল  " নিউজ বিজয় নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করলো " NewsBijoy  এ জন্য  নিউজ বিজয়ের সাইডে আপডেটের কাজ চলছে। তাই এই পরিবর্তনের সময়ে পাঠকের সাময়িক সমস্যা হতে পারে। NewsBijoy

পদ্মা সেতু নির্মাণ

কালীগঞ্জে কলেজের পকেট কমিটি ও নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটের জামেনা রওশন আরা মহিলা কলেজের পরিচালনা কমিটির নিয়োগ বাণিজ্য ও পছন্দের লোক দিয়ে পকেট কমিটি গঠনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠা সদস্য।

মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও জমি দাতা মাহ আলম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমাদের বাপ চাচারা চাপারহাটে শামসুদ্দিন ও কমর উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের ন্যায় অত্র এলাকার নারী শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ২০১১ সালে আমার স্ব-নামীয় সাড়ে ২৩ শতক জমি দানপত্র করে দুই মায়ের নামে জামেনা রওশন আরা মহিলা কলেজ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। আমার অপর বিমাতা ভ্রাতাগণও ঐ প্রতিষ্ঠানে জমি দান করে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পূর্বে সিদ্ধান্ত মোতাবেক জামেনা বেগমের পক্ষে মোঃ মাহ আলম ও রওশন আরার পক্ষে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হবেন। সেই মোতাবেক প্রতিষ্ঠানটি অবকাঠামো নির্মাণের সময় আমি মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে নগদ ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করি।

কলেজ মাঠে আমার ক্রয় কৃত সাড়ে ৮ শতক জমির মুল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজ ভবন নির্মাণ করেন জাহাঙ্গীর। কিন্তু আজ অবধি সেই জমির মুল্য পরিশোধ করেননি। এছাড়াও আমাদের পারিবারিক মতপার্থক্যেকে কেন্দ্র করে কলেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে আমাকে বঞ্চিত করে তার পছন্দমত লোকজন দিয়ে একটি পকেট পরিচালনা কমিটি গঠন করে নানা অনিয়ম দূর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্য শুরু করে। এর প্রতিকার চেয়ে গত ০৯/০৮/২০১৫ ইং সালে জেলা শিক্ষা অফিসার লালমনিরহাট বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করি।

এর ফলে জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্তের জন্য কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেন। শিক্ষা অফিসার আমার অভিযোগের বিষয় সরেজমিনে তদন্ত করে পক্ষপাতমুলক ভাবে তার পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠায়।
এবিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদনপত্র দাখিল করি। এছাড়াও বর্তমানে এ বিষয়ে লালমনিরহাট আদালতে দুটি মামলা চলমান রয়েছে যাহার নম্বর ১২৮/১৮ ও ১২৯/১৮।

এ সময় কলেজ পরিচালনা কমিটিতে দাতা সদস্য হিসেবে মাহ আলমের নাম অন্তর্ভুক্ত করে অত্র এলাকার নারী শিক্ষার উন্নয়নে কলেজটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

 

সম্পর্কিত বিষয় :

পাঠকের মন্তব্য:

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নিউজবিজয় এখন তিন ভাষায় পড়ুন – (NewsBijoy Now Read in Three Languages) 'মানবতার পক্ষে সবসময়'

দেশে করোনায় আরও তিনজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১২৮০

পদ্মা সেতু নির্মাণ

কালীগঞ্জে কলেজের পকেট কমিটি ও নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটের জামেনা রওশন আরা মহিলা কলেজের পরিচালনা কমিটির নিয়োগ বাণিজ্য ও পছন্দের লোক দিয়ে পকেট কমিটি গঠনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠা সদস্য।

মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও জমি দাতা মাহ আলম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমাদের বাপ চাচারা চাপারহাটে শামসুদ্দিন ও কমর উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের ন্যায় অত্র এলাকার নারী শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ২০১১ সালে আমার স্ব-নামীয় সাড়ে ২৩ শতক জমি দানপত্র করে দুই মায়ের নামে জামেনা রওশন আরা মহিলা কলেজ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। আমার অপর বিমাতা ভ্রাতাগণও ঐ প্রতিষ্ঠানে জমি দান করে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পূর্বে সিদ্ধান্ত মোতাবেক জামেনা বেগমের পক্ষে মোঃ মাহ আলম ও রওশন আরার পক্ষে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হবেন। সেই মোতাবেক প্রতিষ্ঠানটি অবকাঠামো নির্মাণের সময় আমি মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে নগদ ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করি।

কলেজ মাঠে আমার ক্রয় কৃত সাড়ে ৮ শতক জমির মুল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজ ভবন নির্মাণ করেন জাহাঙ্গীর। কিন্তু আজ অবধি সেই জমির মুল্য পরিশোধ করেননি। এছাড়াও আমাদের পারিবারিক মতপার্থক্যেকে কেন্দ্র করে কলেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে আমাকে বঞ্চিত করে তার পছন্দমত লোকজন দিয়ে একটি পকেট পরিচালনা কমিটি গঠন করে নানা অনিয়ম দূর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্য শুরু করে। এর প্রতিকার চেয়ে গত ০৯/০৮/২০১৫ ইং সালে জেলা শিক্ষা অফিসার লালমনিরহাট বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করি।

এর ফলে জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্তের জন্য কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেন। শিক্ষা অফিসার আমার অভিযোগের বিষয় সরেজমিনে তদন্ত করে পক্ষপাতমুলক ভাবে তার পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠায়।
এবিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদনপত্র দাখিল করি। এছাড়াও বর্তমানে এ বিষয়ে লালমনিরহাট আদালতে দুটি মামলা চলমান রয়েছে যাহার নম্বর ১২৮/১৮ ও ১২৯/১৮।

এ সময় কলেজ পরিচালনা কমিটিতে দাতা সদস্য হিসেবে মাহ আলমের নাম অন্তর্ভুক্ত করে অত্র এলাকার নারী শিক্ষার উন্নয়নে কলেজটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।