ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শুরু হলো শোকের মাস আগস্ট

আবারো তিস্তার পানি বৃদ্ধি জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবারের

ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে আবারো লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে ইত্যেমধ্যে ৭টি ইউনিয়নে পানি প্লাবিত হয়ে ১২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবার বিতরণ।
জানাগেছে, বুধবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বাড়তে থাকে। ফলে হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া, সানিয়াজান,গড্ডিমারী,সিংগীমারী,সিন্দুর্না,পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ১ হাজার ২শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। মানুষজনের চলাফেরার রাস্তা ঘাট তলিয়ে গেছে, পানির নিচে আঞ্চলিক সড়ক গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। অনেক পরিবার রান্না করতে না পেরে শিশু সন্তান নিয়ে না খেয়ে দিন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পানিবন্দি পরিবারের মোজাম্মেল হক বলেন, রান্নাঘরে পানি আসায় চুলা জ্বালানোর কোনো ব্যবস্থা নাই। সকাল থেকে বিস্কুট খেয়ে গবাদি পশু নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। গড্ডিমারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন সহ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, হঠাৎ নদীর পানি বেড়ে এলাকার কয়েকশ মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলো ত্রাণ সহায়তা খুবই জরুরী প্রয়োজন।
বুধবার বিকাল ৪টায় তিস্তা ব্যারেজ কন্টল রুম থেকে জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি বেড়েছে। তবে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজির হোসেন বলেন,উপজেলার পানিবন্দি হয়েছে কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন। তবে কী পরিমাণ লোকজন পানিবন্দি হয়েছে তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পরিবারগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে ত্রাণ সহায়তার আবেদন করা হয়েছে। ত্রাণ সহায়তা পেলে দ্রুত পানিবন্দি পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

নিউজ বিজয়/এফএইচএন

সম্পর্কিত বিষয় :

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

সকল সংবাদ পেতে ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন…

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার দিন।

NewsBijoy

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

ইতিহাসের এই দিনে: রোববার,১৪ই আগস্ট-২০২২

আবারো তিস্তার পানি বৃদ্ধি জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবারের

আপডেট সময় : ০৭:১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে আবারো লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে ইত্যেমধ্যে ৭টি ইউনিয়নে পানি প্লাবিত হয়ে ১২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। জরুরী হয়ে পড়েছে শুকনো খাবার বিতরণ।
জানাগেছে, বুধবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বাড়তে থাকে। ফলে হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া, সানিয়াজান,গড্ডিমারী,সিংগীমারী,সিন্দুর্না,পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ১ হাজার ২শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। মানুষজনের চলাফেরার রাস্তা ঘাট তলিয়ে গেছে, পানির নিচে আঞ্চলিক সড়ক গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। অনেক পরিবার রান্না করতে না পেরে শিশু সন্তান নিয়ে না খেয়ে দিন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পানিবন্দি পরিবারের মোজাম্মেল হক বলেন, রান্নাঘরে পানি আসায় চুলা জ্বালানোর কোনো ব্যবস্থা নাই। সকাল থেকে বিস্কুট খেয়ে গবাদি পশু নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। গড্ডিমারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন সহ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, হঠাৎ নদীর পানি বেড়ে এলাকার কয়েকশ মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলো ত্রাণ সহায়তা খুবই জরুরী প্রয়োজন।
বুধবার বিকাল ৪টায় তিস্তা ব্যারেজ কন্টল রুম থেকে জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি বেড়েছে। তবে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজির হোসেন বলেন,উপজেলার পানিবন্দি হয়েছে কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন। তবে কী পরিমাণ লোকজন পানিবন্দি হয়েছে তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পরিবারগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে ত্রাণ সহায়তার আবেদন করা হয়েছে। ত্রাণ সহায়তা পেলে দ্রুত পানিবন্দি পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

নিউজ বিজয়/এফএইচএন